সাজেক এখন ঘন্ডুস মুক্ত। সাজেকের পুরো এলাকা এখন মুক্তিকামী জুম্ম জনতার একমাত্র ভরসাস্থল JLA বাহিনীর। প্রিয় পর্যটক ভাইয়েরা পাগল হয়ে আর আন্দাজে সাজেকে প্রবেশ করবেন না। যে কোন মুহুর্তে যে কোন কিছু ঘটে যেতে পারে।
আপনারা কক্সবাজার, কুয়াকাটা আর নুনু কাটা সহ বাংলাদেশের কত জায়গা ঘুরার আছে, সেদিকেই ঘুরতে যান।
পাহাড়ে এত রিক্স নিয়ে ঘুরতে আসার দরকার নাই, JLA বাহিনীর কাছে ধরা খাইলে জামিন পাবেন না। মুক্তিকামী জুম্ম জনতার JLA বাহিনী- টাকার কাছে নিজেদের বিক্রি করে না। সুতরাং মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়ার আশা ছেড়ে দিন। ইতিহাসে কোথাও লেখা নেই যে, JLA কাউকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে।
আপনাদের ফেসবুকের চিল্লাচিল্লি আর গরুর মত হাম্বা হাম্বার ডাকে JLA বাহিনী পাত্তাও দেয় না, দিবেও না। সুতরাং পাহাড়ে ঘুরতে এলে হিসাব করে আসবেন। অন্ধকারে ঝাঁপ দিলেই রক্ষা পাবেন না।
উল্লেখ্য- ইউপিডিএফ এর মত সন্ত্রাসী দলকে নির্মুল করতে চাইলে খাগড়াছড়ির হাতিমুড়া যান, মাটিরাংগা, গুইমারা, লক্ষীছড়িতে যান এবং রাংগামাটির কাউখালী, কুতুকছড়ির দিকে যান। সেদিকেও JLA খুব শ্রীঘ্রই অপারেশন চালাবে।